বেনাপোল সিমান্তঃ এসএম উজ্জ্বল হোসেনঃ
যশোর জেলার অন্তর্গত বেনাপোল সিমান্ত এলাকায় চোরাচালান চক্র বেপরোয়া।
অনুসন্ধানে জানাযায় বর্ডার এলাকায় অসাধু কাস্টমস কর্মকর্তা সহ বিজিবি সদস্যদের যোগসাজশে বেপরোয়া দালাল চক্র। অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে প্রশাসনের তৎপরতা নামমাত্র থাকলেও ফাঁকফোকরে সুযোগ করে দিচ্ছে দালানদের। পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশ থেকে ভারতের অভ্যান্তরে খুব সহজেই অনুপ্রবেশ করছে সাধারণ মানুষ।প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে অবৈধ অর্থ।বন্দর এলাকা এখন প্রতারণার ফাঁদ। প্রত্যাক্ষদর্শী এক ভ্রমণ যাত্রী জানায় বর্তমান বাংলাদেশ সকল ক্ষেত্রে সংস্কার হলেও বেনাপোল বন্দর সহ বিভিন্ন স্থল বন্দর এলাকায় যাত্রী হয়রানির অভিযোগ রয়েছে প্রচুর যার প্রতিকার কিংবা আইনী পদক্ষেপ নেই বল্লেই চলে। এতে করে আস্থা হারাচ্ছে স্থলবন্দর ব্যবহারকারী ভ্রমণ পিপাসুরা।
সুত্রে জানাযায় বর্তমান কাস্টমস কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বন্দরে আসার পর থেকেই তার একটি নিজস্ব বাহিনী তৈরি করেছে যে কারনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাকারবারিরা। এছাড়া বেনাপোল বন্দরের দুই/চার মাইল দুরত্বের এলাকা থেকেও দালালচক্র বিজিবি সদস্যদের কন্টাক্ট করে মানব পাচারে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।একই সাথে মাদক চোরাকারবারিরা নানাজাতের নেশাজাত দ্রব্যের বড় চালান প্রতিনিয়ত দেশের অভ্যান্তরে নিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
নারী পাচারকারী দালাল চক্র সুকৌশলে গরীব পরিবারের বিধবা নারী সহ স্কুল পড়ুয়া মেয়েদের মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতে পাচার করে দিচ্ছেন। ভারত থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাচার হচ্ছে এসব নারীরা। ভুক্তভোগী আমেনা(২৫)জানায় তাদের রঙ্গিন শপ্ন দেখিয়ে দালাল চক্র তাদের ভারতে পাঠাচ্ছে কিছুদিন না যেতেই শপ্নভঙ্গ হচ্ছে তাদের।
নারী পাচারকারী জাহিদ
ভারত বাংলাদেশের দুই প্রান্তেই চোরাকারবারীদের অভয়ারণ্যে মাদক ও নারী তাদের পণ্য। বেপরোয়া পাচারচক্র রোধ করা জরুরী অন্যথায় প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে বহু নারীর জীবন ধংস হবে।অচিরেই প্রশাসনের নজরদারির দাবী জনসাধারণের।
Leave a Reply