ক্রাইম রিপোর্টঃ
রাজধানীর নিউ মার্কেট থানা যুবলীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী লুটপাট বাড়ি ও দোকান দখলের অভিযোগ।
বেপরোয়া সন্ত্রাসী দখলদার এহসানুল করিম ও নুর হোসেন মোল্লা কনঁক গত সরকারের আমলে যুবলীগের সক্রিয় সদস্য হয়ে নানাবিধ অপরাধ কর্মকান্ডের মাধ্যমে গড়েছে সম্পদের পাহাড়।
৫ই আগষ্টে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর সারাদেশে অপরাধীদের গ্রেফতার চলছে,গোয়েন্দা সংস্থা সেনাবাহিনী ও পুলিশের অভিযানে আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার হলেও নিউ মার্কেট থানা যুবলীগের দুই নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে।
খোঁজ নিয়ে জানাযায় নিউ মার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ মহসিন মিয়া ও এসআই রায়হান আওয়ামী দুঃশাসনকালে সুযোগ সুবিধা পাওয়ায় তাদের দোসরদের সুযোগ দিচ্ছে। যেকারণে ৪৩ নিউ এলিফ্যান্ট রোডের বাড়িটি ভূয়া আমমোক্তার বানিয়ে দখল ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া সত্বেও গ্রেফতার করছেনা। এব্যপারে প্রতিবেদক অফিসার ইনচার্জ মহসিন মিয়ার সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে জানায় অভিযোগ কারীকে আদালতে যেতে বলেছি আমাদের কিছু করার নেই। এস আই রায়হানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে কোটা আন্দোলনের পক্ষে নির্দোষ ছাত্রদের মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানোর। এমনই একটি ঘটনা গত ২৪/১০/২০২৪ইং তারিখ সন্ত্রাসী এহসানুল করিমের টাকা খেয়ে নির্দোষ জাফরকে আসামী করা হয়েছে যার দোষ জানতে চাইলে বলেন নায়ক ফেরদৌসের সাথে তার একটি ছবি রয়েছে,একারণে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে জালাও পোড়াও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের বিরুদ্ধ আচরণে তাকে আসামি করা হলো কেনো?
আসল তথ্য জানাযায় দীর্ঘদিন নিজ বাড়ি থেকে বঞ্চিত হওয়া নাজমুল করিম তুহিনকে আরো দুর্বল করার জন্য তার শ্যালক জাফরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।যার ষড়যন্ত্রকারী যুবলীগ নেতা এহসানুল করিম ও নুর হোসেন মোল্লা কনক।
অতিসত্বর এহসানুল করিম ও নুর হোসেন মোল্লা কনক সহ তাদের সমর্থনকারীদের গ্রেফতারের দাবি সেই সাথে আওয়ামীলীগের পৃষ্ঠপোষক পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করার দাবি এলাকাবাসীর।
Leave a Reply