এই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ঘর এটি। সরকার পতনের পর যেখান থেকে ক্রমশ বেরিয়ে এসেছে সর্বোচ্চ ১৫ বছর ধরে আটকে থাকা মানুষও! তবে বাস্তবে এই ঘরে উঠতি টিভি নায়িকা কেয়া পায়েলের থাকার কথা নয়। কারণ, এখনও অভিনয়ে নিয়মিত আছেন তিনি।
যদিও দুদিন আগেই নির্মাতা জয় সরকার দাবি করেছেন ‘আয়নাঘর’ নিয়ে সিনেমা বানাচ্ছেন। নায়িকা হিসেবে থাকছেন কেয়া পায়েল। কথা বলেই চুপ নন নির্মাতা। এরইমধ্যে পরিচালক সমিতিতে সিনেমাটির নামও লিপিবদ্ধ করেছেন।
কেয়া পায়েল
অথচ দু’দিনের মাথায় বেঁকে বসলেন কেয়া পায়েল। যেন ‘আয়নাঘর’ থেকে বেরিয়ে স্বাভাবিক পৃথিবীতে চোখ মেলে অবাক হয়ে গেলেন অভিনেত্রী! তিনি গণমাধ্যমে স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমি কিছুই জানি না। কীভাবে কথাটা ছড়িয়েছে তা-ও জানি না। এবং আমি সিনেমাটি করছি না।’
এরপরই অবশ্য নির্মাতা জয় সরকার ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জানান, কেয়া পায়েল সত্যি সত্যি তার ‘আয়নাঘর’-এ ঢুকছেন না।
সরকার পতনের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রীয়ভাবে গুমের শিকার রাজনৈতিক কর্মী, সংগঠক ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) সদর দফতরের একটি ঘরে আটকে রাখা হতো। ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত সেই কুঠুরিতে বছরের পর বছর মানুষকে আটকে রেখে নির্যাতন করার অভিযোগও শোনা যাচ্ছে।
কেয়াপায়েল সেই আয়নাঘরের বাস্তব ঘটনার ছায়া ধরেই ‘আয়নাঘর’ নামে সিনেমা বানানোর উদ্যোগ নিয়েছেন জয় সরকার।
Leave a Reply